May 24, 2026, 6:49 pm
শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেকেই ফিরলেন তেল না পেয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের শ্রদ্ধা রাজশাহী প্রেসক্লাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শামসুল ও রেজাউলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আর্থিক নিরাপত্তা ও মুক্ত গণমাধ্যম নীতিমালা চান সাংবাদিকেরা: আরইউজে’র আলোচনা সভা জুলাইযোদ্ধা ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত, লাশের অপেক্ষায় মা দেশে মব কালচার আর থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মোবাইল বন্ধ করে দেওয়ায় তিন বোনের আত্মহত্যা

আন্তজার্তিক ডেস্ক :-

অনলাইনে গেম ও সিনেমা আসক্তি ঠেকাতে পরিবার থেকে মোবাইল ও অন্যান্য ডিভাইস বন্ধ করে দেওয়ায় ভারতে একে একে আত্মহত্যা করেছে তিন বোন। অনলাইন গেম ও সিনেমার প্রভাবে ওই তিন বোন আত্মহত্যা করেছেন সন্দেহে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির পুলিশ। বৃহস্পতিবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১২, ১৪ ও ১৬ বছর বয়সী ওই তিন বোন বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) নয়াদিল্লির কাছের গাজিয়াবাদ শহরে নিজ বাড়ির ছাদ থেকে একে একে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন।

গত কয়েক বছরে অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম ও আসক্তিমূলক অ্যালগরিদম শিশুদের বিকাশে ক্ষতি করছে—এমন উদ্বেগ বিশেষজ্ঞ ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মাঝে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে ভারতসহ বিভিন্ন দেশে কর্তৃপক্ষ শিশু ও কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার দিল্লি পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিমিশ পাতিল বলেন, ওই তিন বোনের সুইসাইড নোট ও তাদের ফোনের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে।

ভারতে সন্দেহজনক আত্মহত্যার ঘটনায় আগের পরিস্থিতি ও কারণ জানতে সাধারণত পুলিশ তদন্ত করে থাকে। ওই তিন বোনকে আগে যেসব কে-পপ গান এবং কোরিয়ান গেম ও সিনেমা অনলাইনে দেখার ও খেলার সুযোগ দেওয়া হতো, পরে সেগুলোতে প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

পাতিল বলেন, তারা কোরিয়ান সংস্কৃতিতে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত ছিল। কে-পপ গান, গেম ও সিনেমায় আসক্ত ছিল। তিনি বলেন, পরিবারটি আর্থিক সংকটেও ভুগছিল বলে মনে হচ্ছে।

ভারতের ইংরেজি দৈনিক ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বলছে, ওই তিন বোনের বাবা সম্প্রতি সন্তানদের ডিভাইস কেড়ে নেন এবং কোরিয়ান নাটক দেখা ও অনলাইন গেম খেলা নিষিদ্ধ করেন।

গত কয়েক দশকে ভারতে বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে কোরিয়ান সংস্কৃতির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। ২০১২ সালে র‌্যাপার সাইয়ের ‘গ্যাংনাম স্টাইল’ গান দিয়ে এই প্রবণতা শুরু হয় এবং পরে কে-পপ ও কোরিয়ান নাটকভিত্তিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তা আরও ব্যাপক আকার ধারণ করে।

একসঙ্গে তিন বোনের আত্মহত্যার এই ঘটনা ভারতে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তরুণদের দ্রুত বাড়তে থাকা অনলাইন সম্পৃক্ততা মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলেও অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা