May 24, 2026, 7:35 pm
শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেকেই ফিরলেন তেল না পেয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের শ্রদ্ধা রাজশাহী প্রেসক্লাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শামসুল ও রেজাউলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আর্থিক নিরাপত্তা ও মুক্ত গণমাধ্যম নীতিমালা চান সাংবাদিকেরা: আরইউজে’র আলোচনা সভা জুলাইযোদ্ধা ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত, লাশের অপেক্ষায় মা দেশে মব কালচার আর থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাজা পুনর্নির্মাণে ১১২ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :-
গাজা পুনর্নির্মাণে ১১২ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা পুনর্নির্মাণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন একটি প্রকল্পের খসড়া তৈরি করেছে। ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং টাম্পের জামাতা ব্যবসায়ী জ্যারেড কুশনার এই ‘নকশা’ সাজিয়েছেন। এটি বাস্তবায়ন করতে দশ বছরে ১১২.১ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হবে।

গতকাল শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) মার্কিন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে এমনটি জানিয়েছে।

প্রতিবেদন অনুসারে, এ প্রকল্পের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট সানরাইজ’। এটি ‘গাজার ধ্বংসস্তূপকে ভবিষ্যতের উপকূলীয় গন্তব্যে (সৈকতের শহর- যেখানে পর্যটকরা যাবেন) পরিণত করার জন্য’ ডিজাইন করা হয়েছে।

তবে পরিকল্পনায় নির্দিষ্ট করা হয়নি যে, গাজা উপত্যকা পুনর্নির্মাণে কোন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানগুলো জড়িত থাকবে এবং প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় ২০ লাখ ফিলিস্তিনির কী হবে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন সমস্ত পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলারের অনুদান এবং ঋণ সহায়তা দেওয়ার জন্য এই প্রকল্পে ‘অংশগ্রহণকারী’ হতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে পরবর্তী বছরগুলোতে গাজা কর্তৃপক্ষ নিজেরাই অনেক প্রকল্পে স্ব-অর্থায়ন করতে পারবে এবং পরে ঋণ পরিশোধ করতে পারবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মার্কিন কর্মকর্তা সংবাদপত্রটিকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যেই সম্ভাব্য দাতা দেশগুলোকে- ধনী আরব রাষ্ট্রগুলো, তুরস্ক এবং মিশরকে পরিকল্পনার নথিগুলো দেখিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কুশনার, উইটকফ, হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ সহযোগী জশ গ্রুয়েনবাউম এবং অন্যান্য মার্কিন কর্মকর্তারা গত ৪৫ দিনে এই প্রস্তাবটি তৈরি করেছেন। ইসরায়েলি কর্মকর্তা, বেসরকারিক খাতের ব্যক্তিবর্গ এবং ঠিকাদারদের কাছ থেকে মতামতও নিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা