
তারেক রহমানের ধানের শীষ প্রতীক পেয়ে নেতাকর্মীদের উল্লাস
প্রতীক বরাদ্দের মধ্যদিয়ে ২২ জানুয়ারি থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনি প্রচার শুরু হবে। এরই ধারাবাহিকতায় বগুড়ার ৭টি সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বগুড়া জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন।
এদিন বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষের প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের কাছে থেকে তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক গ্রহণ করেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। এই আসনে মোট ৫জন বৈধ প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ নিয়েছেন।
বাকি প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) আব্দুল্লাহ আল ওয়াকি পেয়েছেন ‘তারা’ প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবু নুমান মো. মামুনুর রশিদ ‘হাতপাখা’, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী দিলরুবা নূরী ‘মই’ প্রতীক বরাদ্দ পান।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. তৌফিকুর রহমান জানান, বগুড়ায় ৩জন তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেছেন। তাদের বাদ দিয়ে বগুড়ার সাতটি সংসদীয় আসনে মোট ৩৪জন বৈধ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এই তিন প্রার্থী হলেন-বগুড়া-১ আসনে শাহজাদী আলম লিপি, বগুড়া-৩ আসনে তৌহিদুল আলম, বগুড়া-৪ আসনে কামরুল হাসান মো. শাহেদ ফেরদৌস।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বগুড়া জেলায় মোট ভোটার ২৯ লাখ ৮১ হাজার ৯৪০জন। এর মধ্যে বগুড়া সদরে আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৭৯৬, নারী ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ২৩৭ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১০ জন ভোটার রয়েছেন।
এদিকে, বগুড়া-৬ সদর আসনে তারেক রহমানের ধানের শীষ প্রতীক পেয়ে আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়েন নেতাকর্মীরা। তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক হাতে পেয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন, জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবু হাসানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ আনন্দে মেতে উঠেন।