May 25, 2026, 2:39 am
শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেকেই ফিরলেন তেল না পেয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের শ্রদ্ধা রাজশাহী প্রেসক্লাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শামসুল ও রেজাউলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আর্থিক নিরাপত্তা ও মুক্ত গণমাধ্যম নীতিমালা চান সাংবাদিকেরা: আরইউজে’র আলোচনা সভা জুলাইযোদ্ধা ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত, লাশের অপেক্ষায় মা দেশে মব কালচার আর থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাড়ির ভিতর ৩৭ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

স্টাফ রিপোর্টার :-

রাজশাহীতে গাড়ির ডালার ভিতর থেকে ৩৭ লাখ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের এক নির্বাহী প্রকৌশলীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন মামলা দায়ের করেছে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজশাহীতে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। অবৈধভাবে অর্জিত প্রায় ৩৭ লাখ টাকা বহন ও স্থানান্তরের অভিযোগে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ছাবিউল ইসলামসহ বাপ্পি কুমার দাস ও তাঁর ছেলে বিন্তু কুমার দাসকে আসামি করা হয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত বছরের ১৪ মার্চ নাটোরের সিংড়া উপজেলায় মো. ছাবিউল ইসলামের ভাড়া করা একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালানো হয়। গাড়ির ডালা থেকে ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অর্থের বৈধ কোনো কাগজপত্র বা সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারায় বিষয়টি দুদকের নজরে আসে।

দুদকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই অর্থ মো. ছাবিউল ইসলাম তাঁর দায়িত্বকালীন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্জন করেছেন। অর্থটি স্থানান্তরের চেষ্টা করার সময় তিনি ও সহায়তাকারীরা মানি লন্ডারিং করেছেন বলে দুদক মনে করছে।

মামলার প্রধান আসামি মো. ছাবিউল ইসলাম এর আগে এলজিইডি গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং বর্তমানে এলজিইডির সদর দপ্তর আগারগাঁওয়ে সংযুক্ত আছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ছিল।

দুদক জানিয়েছে, এ ঘটনায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। দোষী প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তি প্রযোজ্য। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব প্রাপ্ত শাখা বর্তমানে নথিপত্র সংগ্রহ ও আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

দুদকের কর্মকর্তারা জানান, সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিরুদ্ধে কমিশনের অবস্থান কঠোর। প্রভাবশালী বা উচ্চপদস্থ কেউ হলেও প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনের আওতায় আনা হবে। এই মামলা সেই ধরনের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা