May 25, 2026, 12:35 am
শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেকেই ফিরলেন তেল না পেয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের শ্রদ্ধা রাজশাহী প্রেসক্লাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শামসুল ও রেজাউলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আর্থিক নিরাপত্তা ও মুক্ত গণমাধ্যম নীতিমালা চান সাংবাদিকেরা: আরইউজে’র আলোচনা সভা জুলাইযোদ্ধা ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত, লাশের অপেক্ষায় মা দেশে মব কালচার আর থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

একাই ভোট চাচ্ছেন নারী প্রার্থী হাবিবা

মোহনপুর প্রতিনিধি :-

রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী হাবিবা বেগম রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে ভোটের লড়াইয়ে রয়েছেন। তার সঙ্গে নেই কোনো কর্মী-সমর্থক। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা চালাচ্ছেন একাই। পথচারী দেখলে তার হাতে ফুটবল প্রতীকের একটি প্রচারপত্র দিয়ে ভোট চাচ্ছেন।

হাবিবা এর আগে মোহনপুর উপজেলার ঘাসিগ্রাম ইউনিয়নের সংরক্ষিত নারী আসনে ও উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাকে অপসারণ করা হয়। তখনই তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচন করবেন।

হাবিবা বেগম ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত হওয়ার পর উপজেলার কেশরহাট পৌর এলাকায় একটি চায়ের দোকান করেছিলেন। পরে তার স্বামী সেই দোকান চালাতেন। সেটাই ছিল তাদের আয়ের একমাত্র উৎস। তার অভিযোগ, চাঁদা না দেওয়ায় গত বছর কুরবানির ঈদের এক মাস পর তার সেই দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

হাবিবা বেগম জানান, লড়াই করে হাইকোর্টে রিট করে প্রতীক পেয়েছেন। তাই প্রচারে পিছিয়ে পড়েছেন। হাবিবা রিকশা নিয়ে প্রচারণা শুরু করেছেন। প্রতিদিনের ভাড়া ৮০০ টাকা। এ টাকা দিতেই তিনি হিমশিম খাচ্ছেন। তারপরেও তিনি সকাল থেকে গণসংযোগ চালিয়ে যান। সাধারণ মানুষের কাছে তিনি ভালো সাড়া পাচ্ছেন।

পবার দামকুড়া এলাকার ভোটার শফিকুল ইসলাম। পেশায় তিনি কৃষিশ্রমিক। শফিকুল বলেন, হাবিবা আমাদের মতো খেটেখাওয়া মানুষের অধিকার আদায়ের কথা বলছেন। তার কথাবার্তায় আমরা বিশ্বাস পেয়েছি। তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তবে সময় খুবই কম। সময় পেলে তিনি মানুষের কাছে আরও বেশি যেতে পারতেন। তাহলে হয়ত ভোটের ফলাফল অন্যরকমও হতে পারত।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হাবিবার নামে ছয়টি মামলা হয়। তাকে সাতবার কারাগারে যেতে হয়েছে। তিনি আত্মরক্ষার্থে পুলিশের হাতে কামড় দিয়ে আলোচিত হয়েছিলেন। এখনো দুটি মামলা আছে। তিনি মোহনপুর উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক নারীবিষয়ক সম্পাদক। তার দাবি সব মামলা হয়রানিমূলক।

একা একা প্রচারণা চালানোর ব্যাপারে হাবিবা বেগম বলেন, আমার সঙ্গে কেউ প্রচারণা চালাতে আসলেই আওয়ামী লীগ ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। এতে আমার সমর্থকদের ঝামেলা হতে পারে ভেবে কাউকে সঙ্গে না নিয়ে একাই প্রচারণা চালাচ্ছি। তবে যারা আওয়ামী লীগ করে মানুষের অন্যায় করেছেন, তাদের বিচার হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা