October 27, 2026, 10:32 am
শিরোনাম :
টেকনাফ থেকে গোদাগাড়ী: মাদক নেটওয়ার্কের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে জাসাসের স্যালাইন পানি বিতরণ ছবি তোলায় রাজশাহীতে ৫ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার হুমকি ব্যানার ছাড়াই গোদাগাড়ীতে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা সংঘর্ষ: তদন্ত ও পুলিশি তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ “সরকারি অনুমোদন এখনো হয়নি, সফরের ব্যয় বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান” নতুন কিছু চমক দেখাবে অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ

উন্নয়ন ও নতুন রাজনৈতিক লড়াইয়ের প্রেক্ষাপটে মিজানুর রহমান মিনুর আজকের অবস্থান

স্টাফ রিপোর্টার :-

শিক্ষা নগরী রাজশাহী উন্নয়নের পর্বে প্রবেশ করার শুরুর দিন হিসেবে গণ্য হয় ১৯৯১ সালকে, যখন সিটি করপোরেশন গঠনের পর প্রথম নির্বাচনী মেয়র হিসেবে মনোনয়ন পান মিজানুর রহমান মিনু।

এরপর থেকেই তিনি নগর উন্নয়ন ও আধুনিক বুনিয়াদি পরিষ্কারের কাজগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা মনে করেন। ২০০১ সালে রাজশাহী-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে মিনু শহরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও বিস্তারিত ফোকাস দেয়ার সুযোগ পান। ফলে তাঁকে নগরবাসীর কাছে আরো পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা এনে দেয়। ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে তিনি পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হন।

বিগত মেয়রিংয়ের অভিজ্ঞতা ও নগর উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডকে সামনে রেখে আসন্ন নির্বাচনে তিনি আবারও প্রভাবশালী প্রার্থী হিসেবে ধরা পড়ছেন। যদিও ২০২৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তাঁর গ্রেফতারের ঘটনাও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বিতর্কের অংশ হিসেবে আলোচিত। বিএনপির কেন্দ্রীয় তৌক্তিক ও অহংকারী ভূমিকা তুলে ধরে মিনু বলেন, বর্তমান প্রভাবশালী দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রকে বাঁচাতে জীবনের বড় অংশ উৎসর্গ করেছেন এবং দলের নেতৃত্বে নতুন প্রজন্মের জনপ্রিয় নেতা তারেক রহমান এসেছেন। তিনি জনশ্রেণীর কর্মসংস্থান ও দেশ পরিচালনায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছেন বলেও মন্তব্য করেন মিনু।

মিনু বলেন, আমি সবার সাথে শ্রদ্ধাশীল আচরণ করেছি; দুর্নীতির কোনো অভিযোগের মুখোমুখি হইনি। আমার কাছে আসা-যাওয়া সবসময় উম্মুক্ত ছিল এবং আমি এখনো সাধারণ মানুষের কাতারে মিশি। তিনি আরও বলেন, রাজশাহী শহরকে শান্তির নগরী হিসেবে রক্ষা ও উন্নয়ন করাই তাঁর প্রধান লক্ষ্য, যেখানে ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রধারীদের নির্মূল করা হবে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শহরে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও তরুণদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করাই বিএনপির লক্ষ্যে অন্যতম, যেখানে শিল্প প্রতিষ্ঠান ও বিশেষ করে আইটি সেক্টরকে গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং দেশের নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।

এইবারের নির্বাচনে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, যদিও পূর্বে রাজশাহীতে জামায়াতের শক্ত অবস্থান তৈরি হয়নি বলেও মন্তব্য করেন মিনু। মিনু আশা প্রকাশ করেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক কর্মসূত্র ও উন্নয়নমূলক পদক্ষেপগুলোর ভিত্তিতে তিনি আবারও বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন।

উল্লেখ্য যে, মিজানুর রহমান মিনু, তিনবারের নির্বাচিত মেয়র ও রাজশাহী- ২ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা