May 25, 2026, 2:57 am
শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেকেই ফিরলেন তেল না পেয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের শ্রদ্ধা রাজশাহী প্রেসক্লাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শামসুল ও রেজাউলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আর্থিক নিরাপত্তা ও মুক্ত গণমাধ্যম নীতিমালা চান সাংবাদিকেরা: আরইউজে’র আলোচনা সভা জুলাইযোদ্ধা ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত, লাশের অপেক্ষায় মা দেশে মব কালচার আর থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাড়িতে ৩৭ লাখ টাকা, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

ডেস্ক নিউজ :-

অবৈধভাবে অর্জিত ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩০০ টাকা বহন এবং স্থানান্তরের সময় আটক আলোচিত স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ছাবিউল ইসলামসহ তিনজনের নামে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজশাহীতে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ বিষয়টি জানিয়েছেন।

গত বছরের ১৪ মার্চ নাটোরের সিংড়ায় ছাবিউল আলমের ভাড়া করা একটি প্রাইভেট কারে তল্লাশি চালিয়ে ৩৬ লাখ ৯৪ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ওই সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। উদ্ধার করা ওই অর্থ দুর্নীতির মাধ্যমে উপার্জিত বলে অনুসন্ধানে প্রমাণিত হওয়ায় ছাবিউলের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

মামলার প্রধান আসামি মো. ছাবিউল ইসলাম এলজিইডি গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন। বর্তমানে তিনি সদর দপ্তর এলজিইডি, আগারগাঁওয়ে কর্মরত। মামলায় আরও দুজনকে সহায়তাকারী আসামি করা হয়েছে। তাঁরা হলেন- বাপ্পি কুমার দাস ও তাঁর ছেলে রিন্তু কুমার দাস।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, মো. ছাবিউল ইসলাম জ্ঞাতসারে নিজের ওপর অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে উপার্জিত ৩৬ লাখ ৯৫ হাজার ৩০০ টাকা অর্জন করেন। ওই অর্থের প্রকৃতি, উৎস ও মালিকানা গোপন করার অসৎ উদ্দেশ্যে ঢাকা মেট্রো-ঘ ১২-৮৭৯৭ নম্বর গাড়িতে করে অন্যত্র স্থানান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং অপরাধ হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা