May 25, 2026, 1:47 am
শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেকেই ফিরলেন তেল না পেয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের শ্রদ্ধা রাজশাহী প্রেসক্লাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শামসুল ও রেজাউলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আর্থিক নিরাপত্তা ও মুক্ত গণমাধ্যম নীতিমালা চান সাংবাদিকেরা: আরইউজে’র আলোচনা সভা জুলাইযোদ্ধা ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত, লাশের অপেক্ষায় মা দেশে মব কালচার আর থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজশাহীতে ৮ ‘ডাকাতকে’ ধরে গণপিটুনি, একজন নিহত

স্টাফ রিপোর্টার :-

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় ডাকাত সন্দেহে আটজনকে ধরে গণপিটুনি দিয়েছে গ্রামবাসী; যাদের মধ্যে একজন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার সময় হতাহতদের ব্যবহৃত একটি পিকাপ ভ্যানে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় গ্রামবাসী।

রোববার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার পলাশি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম।

নিহত মো. শাহীন (৫৫) দুর্গাপুর উপজেলার মাড়িয়া গ্রামের আকরাম আলীর ছেলে। বাকি সাতজনের বাড়ি বিভিন্ন জেলায়; এরা সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সদস্য বলে ভাষ্য পুলিশের।

আহতরা হলেন- পুঠিয়া উপজেলার চকপলাশী গ্রামের লালুর ছেলে মো. শামীম (৩৫), ঢাকার আশুলিয়া থানার জিরানী বাজার এলাকার সোনা মিয়া ছেলে শফিকুল (৪৫), রংপুরের মিঠাপুকুর থানার ইমাদপুর গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৪০), ঢাকার ধামরাই থানার নানজেগুড়ি এলাকার মাহির ছেলে খারজাহান (৩৫), টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার বামালের চর গ্রামের সাত্তার শেখের ছেলে সেলিম শেখ (৩০), একই উপজেলার কুটিবয়রা গ্রামের একানদানি সরকারের ছেলে মামুন (৪২) এবং জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সোনিয়াপাড়া গ্রামের মোস্তফার ছেলে রুপচান (৩০)।

গুরুত্বর অবস্থায় তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, “মধ্যরাতে একটি ট্রাকে আটজন লোক ঘরের তালা কাটা যন্ত্রসহ দেশি অস্ত্র নিয়ে পলাশি বাজারে প্রবেশ করেন। এ সময় গ্রামবাসীর সন্দেহ হলে তাদের আটক করে গণপিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলে একজন মারা যান।”

খবর পেয়ে সোমবার সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। এ ছাড়া আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মুখপাত্র ও জরুরি বিভাগের ইনচার্জ শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, আটজনের মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় নিয়ে আনা হয়। আহতদের মধ্যে ছয়জনকে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে এবং একজন ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন। তবে তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।

রাজশাহী জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাঈমুল হাছান বলেন, “ডাকাতির প্রস্তুতির সময় গ্রামবাসী তাদের ধরে ফেলেন। এরপর তাদের গণপিটুনি দেওয়া হয়; যাদের মধ্যে একজন মারা যান। বাকিদের পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরা সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা