May 25, 2026, 2:33 am
শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেকেই ফিরলেন তেল না পেয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের শ্রদ্ধা রাজশাহী প্রেসক্লাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শামসুল ও রেজাউলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আর্থিক নিরাপত্তা ও মুক্ত গণমাধ্যম নীতিমালা চান সাংবাদিকেরা: আরইউজে’র আলোচনা সভা জুলাইযোদ্ধা ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত, লাশের অপেক্ষায় মা দেশে মব কালচার আর থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজশাহীবাসী মিনুকে মন্ত্রিসভায় দেখতে চায়

স্টাফ রিপোর্টার :-

উত্তরের প্রসিদ্ধ জনপদ রাজশাহী থেকে বিএনপির সিনিয়র নেতা ও জাতীয়তাবাদের আদর্শে অনুপ্রাণিত অভিজ্ঞ রাজনীতিবীদ মিজানুর রহমান মিনুকে এবার পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় দেখতে চান রাজশাহীবাসী। ইতোমধ্যে নানাভাবে আলোচনায় মিনুর পক্ষে আওয়াজ তুলেছেন। রাজশাহীবাসীর আলোচনায় উঠে এসেছে মিজানুর রহমান মিনুর নাম।

রাজশাহীবাসির দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা একজন মন্ত্রীর। কিন্তু বিগত সময়ে বরাবরই রাজশাহীবাসীর সেই আশায় গুড়েবালি হলেও এবার মিনুকে নিয়ে আশায় বুক বেধেছে রাজশাহীর মানুষ। রাজশাহীবাসির প্রত্যাশা এবার বিএনপি সরকারে মন্ত্রীসভায় রাজশাহীর মিনু ঠাঁই পাবেন।

নির্বাচনের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানান আলোচনা চলছে। এবার রাজশাহী থেকে বিএনপির যে চারজন এমপি নির্বাচিত হয়েছেন তাদের মধ্যে অভিজ্ঞ উত্তরে রাজনীতির সিংহ পুরুষ মিজানুর রহমান মিনু। মিজানুর রহমান এর আগে বিএনপি সরকারের নামলে প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় রাজশাহী সিটি মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছেন। এমপিও ছিলেন। আবারো তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। তাই রাজশাহীবাসী এবার পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক মিনুকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান।

স্থানীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, এবার রাজশাহীর ৬টি আসনের মধ্যে চারটিতে নির্বাচিত হয়েছে বিএনপির প্রার্থী। নির্বাচিতদের মধ্যে মিজানুর রহমান মিনু ছাড়া অন্যরা নতুন মুখ। একমাত্র রাজশাহী-২ (সদর) আসনের এমপি মিজানুর রহমান মিনু রয়ছেন অভিজ্ঞদের তালিকায়।

এর আগে মিজানুর রহমান মিনু তিনবার রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র, একবার সদর আসনের এমপির দায়িত্ব পালন করেছেন। সেদিক থেকে মিজানুর রহমান মিনু অভিজ্ঞ ও বর্ষীয়ান রাজনৈতিক ব্যক্তি। রাজশাহীর বিশিষ্টজনদের ভাষায় উত্তরাঞ্চলে মিজানুর রহমান মিনুর মত রাজনৈতিক সচেতন ও বিচক্ষণ নেতা নেই। মন্ত্রিসভায় স্থান দিলে শুধু রাজশাহীর নয়, দেশের উন্নয়নে ইতিবাচক সাড়া মিলবে।

এদিকে মিজানুর রহমান মিনুর রয়েছে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ইতিহাস। এ কারণে এবার আলোচনায় এসেছেন তিনি। রাজশাহী সড়ক পরিবহণ গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হেলাল বলেন, মিজানুর রহমান মিনুর মত বলিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা উত্তরাঞ্চলে নেই। তাকে মন্ত্রী করা হলে তার দক্ষতায় উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নের চিত্র বদলে যাবে।
রাজশাহী মহানগর বেসরকারি মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাদিকুল ইসলাম বলেন, রাজশাহী নগরীকে শিক্ষা নগরীর রূপ দিয়েছিলেন মিজানুর রহমান মিনু। এবার রাজশাহী থেকে নির্বাচিত চারজন এমপির মধ্যে মিজানুর রহমান মিনু একজন দক্ষ অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তি। আমরা চাই মিজানুর রহমান মিনুকে এবার মন্ত্রী করা হোক।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের সভাপতি প্রফেসর ড. আব্দুল আলিম বলেন, রাজশাহীতে একজন মন্ত্রী প্রয়োজন। পিছিয়ে পড়া রাজশাহীকে ঢেলে সাজাতে হলে একজন মন্ত্রীর বিকল্প নেই। আমরা চাইবো শিক্ষা নগরী থেকে একজন এমপিকে যেন মন্ত্রী পরিষদের সদস্য করা হয়।

রাজশাহী রিয়েল এস্টেট এন্ড ডেভেলপার এসোসিয়েশনের (রেডা) সভাপতি তৌফিকুর রহমান লাভলু বলেন, গত ১৫ বছর আমরা ব্যবসা করতে পারিনি। রাজশাহীতে ডেভেলপার ব্যবসার একটা আপার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই জায়গা থেকে একজন মন্ত্রী আমরা পেলে শুধু ডেভেলাপার সেক্টরেই নয়, প্রতিটি সেক্টরে উন্নয়ন হবে। সেই জায়গা থেকে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত এমপি মিজানুর রহমান মিনুকে মন্ত্রী পরিষদে আমরা দেখতে চাই।

রেডার সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান কাজী বলেন, উত্তরাঞ্চল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহর রাজশাহী। রাজশাহী বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু রাজশাহী দীর্ঘদিন ধরেই অবহেলিত। ক্ষমতার ভারসাম্য আনয়নের স্বার্থে ও একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে এই রাজশাহীতে একজন মন্ত্রীর প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে আলোচিত মুখ মিজানুর রহমান মিনুর বিকল্প নেই।

রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাটির সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু বলেন, আমাদের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের সুলতানগঞ্জ নদীবন্দর একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর। এই বন্দর পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা গেলে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যে নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। এই কাজটি করতে হলে আমাদের একজন মন্ত্রীর দরকার। মিজানুর রহমান মিনু মন্ত্রী হলে এ এলাকায় উন্নয়নের বিপ্লব ঘটবে।

এদিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ‘মিজানুর রহমান মিনুকে মন্ত্রী পরিষদে দেখতে চাই’ শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা