October 28, 2026, 5:23 am
শিরোনাম :
টেকনাফ থেকে গোদাগাড়ী: মাদক নেটওয়ার্কের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে জাসাসের স্যালাইন পানি বিতরণ ছবি তোলায় রাজশাহীতে ৫ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার হুমকি ব্যানার ছাড়াই গোদাগাড়ীতে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা সংঘর্ষ: তদন্ত ও পুলিশি তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ “সরকারি অনুমোদন এখনো হয়নি, সফরের ব্যয় বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান” নতুন কিছু চমক দেখাবে অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ

রানী মুখার্জির ক্যারিয়ারের ৩০ বছর উদ্‌যাপন

বিনোদন ডেস্ক :-

সাফল্যের তিন দশক পেরিয়ে এলেন রানী মুখার্জি। ১৯৯৬ সালে বাংলা সিনেমা ‘বিয়ের ফুল’ ও বলিউডের ‘রাজা কি আয়েগি বারাত’ দিয়ে শোবিজে তাঁর পথচলা শুরু হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রানী হয়ে উঠেছেন তাঁর প্রজন্মের অন্যতম সম্মানিত ও প্রশংসিত অভিনেত্রী। রানীর সিনেমাজীবনের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গত বৃহস্পতিবার যশরাজ ফিল্মস স্টুডিওতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

‘করণ অ্যান্ড রানী: থার্টি ইয়ারস অব ফিল্মস, ফ্রেন্ডশিপ অ্যান্ড মেমোরিজ’ শীর্ষক ওই অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পরিচালক করণ জোহর। নিজের শৈশব, বেড়ে ওঠা, মা-বাবা, সন্তান, সিনেমায় পদার্পণ, চলচ্চিত্রের ঘটনাবহুল অধ্যায়—নানা বিষয় নিয়ে তিন ঘণ্টাব্যাপী খোলামেলা কথা বলেন রানী মুখার্জি।

রানী জানান, চলচ্চিত্র পরিবারে জন্ম হলেও তাঁদের সংসারে আর্থিক সচ্ছলতা ছিল না। বাবা রাম মুখার্জি পেশায় ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক। তবে রানী যে অভিনয়ে আসবেন, এমন পরিকল্পনা ছিল না কারও। প্রথম হিন্দি সিনেমা রাজা কি আয়েগি বারাতের প্রস্তাব আসে তাঁর বাবার বন্ধু প্রযোজক সেলিম আখতারের কাছ থেকে। মায়ের কথায় এ সিনেমায় অভিনয়ে রাজি হন রানী।

অনেক পরে বুঝেছেন, মায়ের এই সিদ্ধান্তের পেছনে ছিল আর্থিক বাস্তবতা। রানী বলেন, ‘তখন বুঝিনি, কিন্তু এখন মনে হয়, মা হয়তো আমাদের সংসারের আর্থিক পরিস্থিতি একটু ভালো করার রাস্তা খুঁজছিলেন। তাঁদের আশা ছিল, আমি যদি এই ইন্ডাস্ট্রিতে ভালো করি, তাহলে সেটা আমাদের সবার জন্যই ভালো হবে।’

বক্স অফিসে রাজা কি আয়েগি বারাত সাফল্য না পেলেও পরবর্তী সিনেমা ‘গুলাম’ দিয়ে ব্যাপক পরিচিতি পান রানী। তবে ক্যারিয়ারের শুরুতেই কণ্ঠস্বর নিয়ে প্রতিকূলতার মুখে পড়েছিলেন তিনি; যার ফলে প্রথম কয়েকটি সিনেমায় তাঁর দৃশ্যগুলো অন্য কাউকে দিয়ে ডাবিং করানো হয়। সেটা তাঁর জন্য ছিল কষ্টের অভিজ্ঞতা।

তবে সে পরিস্থিতি বদলে যায় করণ জোহর পরিচালিত ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’-এর মাধ্যমে। করণ এতে রানীকে দিয়েই ডাবিং করান। আর তা দর্শকদের কাছে গ্রহণযোগ্যতাও পায়। এর পর থেকে কণ্ঠস্বর নিয়ে আর কখনো প্রতিকূলতার মুখে পড়তে হয়নি রানীকে। এ কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অভিনেত্রী। কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘এ সিনেমায় আমি নিজের কণ্ঠস্বর ফিরে পেয়েছিলাম।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা