October 27, 2026, 2:54 am
শিরোনাম :
টেকনাফ থেকে গোদাগাড়ী: মাদক নেটওয়ার্কের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে জাসাসের স্যালাইন পানি বিতরণ ছবি তোলায় রাজশাহীতে ৫ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার হুমকি ব্যানার ছাড়াই গোদাগাড়ীতে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা সংঘর্ষ: তদন্ত ও পুলিশি তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ “সরকারি অনুমোদন এখনো হয়নি, সফরের ব্যয় বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান” নতুন কিছু চমক দেখাবে অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ

‘তাজমহল হীরা’ পরে বিপাকে ব্রিটিশ অভিনেত্রী

বিনোদন ডেস্ক :-

বিনোদন দুনিয়ার সাম্প্রতিক এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফের জোরালো হয়েছে উপনিবেশ আমলের লুট হওয়া প্রত্নসম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি। সম্প্রতি নিজের আসন্ন চলচ্চিত্র ‘উদারিং হাইটস’-এর প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ-অস্ট্রেলীয় অভিনেত্রী মার্গট রবিকে দেখা গেছে একটি চোখধাঁধানো নেকলেস পরিহিত অবস্থায়। যার মূল আকর্ষণ ছিল ৪০০ বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক ‘তাজমহল’ হীরা।

১৬২৭ খ্রিস্টাব্দের এই অমূল্য রত্নটি একসময় মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নূর জাহানের মালিকানাধীন ছিল। হীরাটির গায়ে খোদাই করা ফার্সি লিপি আজও সেই ইতিহাসের সাক্ষ্য দেয়। কিন্তু এই প্রাচীন রত্নটি মার্গট রবির গলায় শোভা পাওয়ার বিষয়টি মোটেও ইতিবাচকভাবে নেয়নি ভারতীয় নাগরিক ও নেটিজেনদের বড় একটি অংশ।

সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ফরাসি জুয়েলারি হাউস কার্তিয়েরের তীব্র সমালোচনা করা হচ্ছে। সমালোচকদের দাবি, ভারতের ঔপনিবেশিক শাসনের সময় এই হীরাটি দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। নূর জাহানের হাতবদল হয়ে এটি এক সময় ব্রিটিশ-আমেরিকান অভিনেত্রী এলিজাবেথ টেলরের সংগ্রহে যায় এবং ২০১১ সালে তার মৃত্যুর পর তা নিলামে বিক্রি হয়।

এই ঘটনা কোহিনূর হীরার মতো মূল্যবান ভারতীয় সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার বিতর্কটি নতুন করে উসকে গেল। বিশেষ করে গত বছর মেট গালায় ভারতীয় গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্জ যখন পাতিয়ালার মহারাজার একটি ঐতিহাসিক নেকলেস পরতে চেয়েছিলেন, তখন কার্তিয়ের কর্তৃপক্ষ তা প্রদর্শনীতে থাকার অজুহাতে প্রত্যাখ্যান করে। অথচ ২০২২ সালে ইউটিউবার এমা চেম্বারলেনকে সেই একই সংগ্রহের গয়না পরতে দেওয়া হয়েছিল।

মার্গট রবির এই সাজকে কেন্দ্র করে বর্তমানে আন্তর্জাতিক মহলে প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এবং ব্যক্তিগত সংগ্রাহকদের কাছে থাকা প্রাচীন রত্নগুলো নিজ দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জোরালো হচ্ছে। ভারতের পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরেই এই দাবি জানানো হলেও পশ্চিমা বিশ্বের বিলাসবহুল ব্র্যান্ডগুলোর এমন আচরণকে অনেকেই ‘দ্বিচারিতা’ ও ঐতিহ্যের অবমাননা হিসেবে দেখছেন। ঐতিহাসিক এই রত্নটি এখন স্রেফ একটি গয়না নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের কাছে এটি এক হারানো গৌরবের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা