
রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে রায় দিতে ভোটারদের দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ১২ই ফ্রেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেবল একজন জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের বিষয় নয়; এটি ন্যায় ও অন্যায়, সত্য ও মিথ্যার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। আর গণভোটে হ্যাঁ জিতলেই, জিতবে জনগণ।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত মোহনপুর উপজেলার শ্যামপুর হাট ও কেশরহাট বাজারে নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। এরপর তিনি পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে গণসংযোগ করেন। এ সময় তিনি ব্যবসায়ী, শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক, তরুণ ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
গণসংযোগকালে অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, দাড়িপাল্লা প্রতীক হচ্ছে ন্যায়, সততা ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতির প্রতীক। দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দিনের ভোট রাতে হওয়ার মতো অনিয়ম গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এই বাস্তবতা থেকে উত্তরণে জনগণের সচেতন সিদ্ধান্তই পারে সঠিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে।
তিনি আরও বলেন, “আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচনে এসেছি। সংসদে গেলে রাজশাহী-৩ আসনের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, কৃষি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তুলে ধরব। একই সঙ্গে দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করব।”
অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধিকে নির্বাচিত করা জরুরি। তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে রায় দিতে দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিতে হবে।
গণসংযোগকালে তিনি যুবসমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীর নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা, কৃষক ও শ্রমিকের ন্যায্য অধিকার আদায় এবং সামাজিক বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি দেন। এ সময় স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।