May 24, 2026, 6:17 pm
শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেকেই ফিরলেন তেল না পেয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের শ্রদ্ধা রাজশাহী প্রেসক্লাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শামসুল ও রেজাউলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আর্থিক নিরাপত্তা ও মুক্ত গণমাধ্যম নীতিমালা চান সাংবাদিকেরা: আরইউজে’র আলোচনা সভা জুলাইযোদ্ধা ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত, লাশের অপেক্ষায় মা দেশে মব কালচার আর থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শহীদদের রক্তের সিঁড়ি বেয়েই ছাত্রশিবির এগিয়ে যাচ্ছে: সিবগাতুল্লাহ

রাবি প্রতিনিধি :-

শহীদদের রক্তের সিঁড়ি বেয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির তার কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ইসলামী ছাত্রশিবিরের শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (১১ মার্চ) বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে ইসলামী ছাত্রশিবির রাবি শাখার উদ্যোগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রাবি ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসানের সঞ্চালনায় সিবগাতুল্লাহ বলেন, “১১ মার্চ ইসলামী ছাত্রশিবির ঘোষিত শহীদ দিবস। প্রতিবছর এ দিনটিকে পালন করে আসছে ইসলামী ছাত্রশিবির। ১৯৮২ সালের ১১ মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহার চত্বরে ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত নবাগত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ছাত্রমৈত্রী, জাসদ, ছাত্রলীগের অতর্কিত এবং নিষ্ঠুর হামলায় শাহাদাত বরণ করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কর্মী সাব্বির, হামিদ, আইয়ুব, জাব্বার।

তিনি বলেন, ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সাব্বিরই ছিলেন ছাত্রশিবিরের ১ম শহীদ। সেদিন লোহার রড, পাইপগান, দা, কিরিচ দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করা হয় সাব্বিরকে, ইটের উপর মাথা রেখে আরেকটি ইট দিয়ে চুর্ণ-বিচুর্ণ করে মাথা থেকে আবদুল হামিদের মগজ বের করা হয়। মারাত্নক আহত আবদুল জাব্বার এবং আইয়ুব পরবর্তীতে শাহাদাৎ বরণ করেন। ১১ মার্চ ১৯৮২ সালের সেই দিনে আহতদের গগণ বিধারী চিৎকারে শিক্ষনগরী খ্যাত রাজশাহীর আকাশ বাতাস প্রকম্পিত হয়েছিল। সারাদেশের মানুষ ধিক্কার জানিয়েছিল প্রগতিশীল দাবিদার মানুষ নামক রক্তচোষা দানবদেরকে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৮২ সালের সেই শাহাদাতের পর থেকেই ছাত্রশিবিরকে শেষ করে দেয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে নির্যাতন ও হামলা করা হয়েছে। একে একে ১৭ জন শিবির নেতা কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। শাহাদাতের সেই সিড়ি বেয়ে ইসলামী ছাত্রশিবির তার মঞ্জিলে মকসুদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আজকের এই আলোচনা সভা থেকে আমরা ১১ মার্চ ছাত্রশিবিরের উপর হামলার নেতৃত্বে দানকারী বিপ্লবী ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি ফজলে হাসান বাদশাসহ জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আবুল হাসেম, রাজশাহী মহানগর জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. মো. জাহাঙ্গীর, শহীদ সাব্বির হোসেনের ভাই মো. আকরাম, রাবি ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি হাফেজ মো. নুরুজ্জামান এবং রাজশাহী মহানগর ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ডা. সাখাওয়াত হোসেন। এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা