October 27, 2026, 10:32 am
শিরোনাম :
টেকনাফ থেকে গোদাগাড়ী: মাদক নেটওয়ার্কের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে জাসাসের স্যালাইন পানি বিতরণ ছবি তোলায় রাজশাহীতে ৫ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার হুমকি ব্যানার ছাড়াই গোদাগাড়ীতে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা সংঘর্ষ: তদন্ত ও পুলিশি তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ “সরকারি অনুমোদন এখনো হয়নি, সফরের ব্যয় বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান” নতুন কিছু চমক দেখাবে অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ

লোহার রড ও হাতুড়ি হাতে ভদ্রায় তাণ্ডব, ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
রোববার বিকেলে নগরীর অনুরাগ কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন বিলকিস আক্তার।

রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানাধীন ভদ্রা এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের ওপর সংঘটিত পূর্বপরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার বোন মোসা: বিলকিস আক্তার। তিনি অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা ও আগাম সতর্কবার্তা উপেক্ষার ফলেই এই নির্মম হত্যাচেষ্টার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। আজ রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নগরীর অনুরাগ কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বিলকিস আক্তার।

বিলকিস আক্তার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক ও ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী চক্র তার ভাইকে নিয়মিত হুমকি দিয়ে আসছিল। একাধিকবার নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি থানাকে অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টার সময় ভদ্রা ভাংরিপট্টি সেরিকলচার মসজিদ গেটের বিপরীতে রফিকুল ইসলামের পাইকারি লোহার দোকানের সামনে তাকে টার্গেট করে হামলা চালানো হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, দোকান থেকে টেনে বের করে রফিকুল ইসলামকে লোহার রড ও হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। এতে তার মাথা ফেটে যায় এবং হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। এক পর্যায়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে নাম উল্লেখ করে অভিযুক্ত হিসেবে মনিরুল ইসলাম শরিফ (২৫), স্বাধীন, শরিফুল ইসলাম সফি, মোসা: মনি, মোসা: নিশা খাতুনসহ অজ্ঞাত আরও ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়। বক্তার দাবি, প্রকাশ্য হত্যাচেষ্টার মতো ভয়াবহ অপরাধ ঘটিয়েও অভিযুক্তরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় ভুক্তভোগী পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।

বিলকিস আরও জানান, এই ঘটনার আগেই ২০২৫ সালের ৫ জুলাই তার ভাইকে অপহরণের আশঙ্কায় চন্দ্রীমা থানায় একটি জিডি করা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে এমজিআর মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্টদের গাফিলতি ও উদাসীনতায় সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষিত থাকে। তার ভাষায়, প্রশাসনের এই ব্যর্থতাই শেষ পর্যন্ত সরাসরি হত্যাচেষ্টার রূপ নিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি, অবিলম্বে সকল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে রফিকুল ইসলাম ও তার পরিবারের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রভাবশালী পরিচয়ের আড়ালে অপরাধীদের রক্ষা করার সংস্কৃতি বন্ধের দাবি জানিয়ে বিলকিস আক্তার গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে কোনো চাপ বা প্রভাব উপেক্ষা করে সত্য ও বাস্তবতা জাতির সামনে তুলে ধরা হয়। তার ভাষায়, আজ একটি পরিবার আক্রান্ত হলেও আগামী দিনে যে কেউ এই সন্ত্রাসের শিকার হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা