May 24, 2026, 6:52 pm
শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেকেই ফিরলেন তেল না পেয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের শ্রদ্ধা রাজশাহী প্রেসক্লাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শামসুল ও রেজাউলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আর্থিক নিরাপত্তা ও মুক্ত গণমাধ্যম নীতিমালা চান সাংবাদিকেরা: আরইউজে’র আলোচনা সভা জুলাইযোদ্ধা ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত, লাশের অপেক্ষায় মা দেশে মব কালচার আর থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজশাহীতে আ.লীগ কার্যালয়ের স্থানে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’ ব্যানার

স্টাফ রিপোর্টার :

তীব্র প্রতিবাদের মুখে অপসারণ

রাজশাহীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক কার্যালয়ের স্থানে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’ নামে ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। পরে সমালোচনা ও প্রতিবাদের মুখে ওই ব্যানারটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

জানা যায়, জুলাই আন্দোলনের সময় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যালয় আন্দোলনকারীরা বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেন। নগরীর কুমারপাড়া এলাকায় অবস্থিত ওই কার্যালয়টি ধ্বংসের পর থেকে জায়গাটি ফাঁকা পড়ে ছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাজশাহী জেলার আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাজুসহ কয়েকজন নেতা ওই স্থানে একটি ব্যানার টানিয়ে দেন। ব্যানারে স্থানটিকে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ব্যানারে লেখা ছিল “মুজিব পাবলিক টয়লেট। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১৭ বছরের ক্ষোভ ঝাড়ুন। সৌজন্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, রাজশাহী। ব্যানার টানানোর পর বিষয়টি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং এ নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। রাজশাহীর বিভিন্ন সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং সচেতন নাগরিকরা তাদের ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন নামকরণের প্রতিবাদ জানান। তারা এটিকে অশোভন ও অনভিপ্রেত বলে মন্তব্য করেন। প্রতিবাদের মুখে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে কে বা কারা ওই ব্যানারটি সরিয়ে ফেলেন। তবে ব্যানার অপসারণের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠন বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে নগরীতে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও এ ধরনের কর্মকাণ্ড সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের পরিপন্থী।
এর আগে ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের সময় ৫ আগস্ট মহানগর আওয়ামী লীগের এই দলীয় কার্যালয় বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেন বিক্ষুব্ধ জনতা। পরে গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর শরীফ ওসমান হাদী নিহতের ঘটনার পর উত্তেজিত ছাত্র-জনতা পরিত্যক্ত ভবনটির অবশিষ্ট অংশও ধ্বংস করে পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন করে ফেলে। সেই ধ্বংসস্তূপের সামনে গত শুক্রবার রাতে কে বা কারা একটি উদ্বোধনী ব্যানার টানিয়ে যায়। পর দিন সকালে ব্যানারটি ছিঁড়ে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এরপর সেখানে পাবলিক টয়লেটের ব্যানার টানানো হলো। এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলার আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাজু বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে চাইছে। আমরা তা হতে দেব না।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা