October 27, 2026, 4:26 am
শিরোনাম :
টেকনাফ থেকে গোদাগাড়ী: মাদক নেটওয়ার্কের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে জাসাসের স্যালাইন পানি বিতরণ ছবি তোলায় রাজশাহীতে ৫ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার হুমকি ব্যানার ছাড়াই গোদাগাড়ীতে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা সংঘর্ষ: তদন্ত ও পুলিশি তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ “সরকারি অনুমোদন এখনো হয়নি, সফরের ব্যয় বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান” নতুন কিছু চমক দেখাবে অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ

রাকসু জিএস আম্মারের সঙ্গে ছাত্র অধিকার পরিষদের মারুফের বাগ্‌বিতণ্ডা

রাবি প্রতিনিধি :-

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মন্তব্যের জেরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়েছে। সোমবার বিকেলে রাকসু ভবনে জিএসের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাকসু ভবনের সামনে ব্রিফিং করে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের পদ স্থগিতের দাবি জানান মেহেদী মারুফ।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত রোববার বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফ তাঁর ফেসবুক টাইমলাইনে রাকসুর গণ–ইফতার আয়োজন নিয়ে সমালোচনা করে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি লেখেন, ‘রাকসু ফরজ কাজ বাদ দিয়ে নফল কাজেই বেশি মনোযোগী ও পারদর্শী। নফল দিয়েই যদি বৈতরণী পার হওয়া যায়, তাহলে ফরজের আর দরকারটা কী!’ এই পোস্টে মন্তব্যের ঘরে সালাহউদ্দিন আম্মার লেখেন, ‘চুল্কানি শুরু? মলমের নাম নুরু।’ এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই মূলত দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। পরে আরও কয়েকটি মন্তব্যে উভয়ের মধ্যে অশ্লীল বাক্যবিনিময় হয়।

এরপর পূর্বঘোষণা অনুযায়ী সোমবার বিকেলে মেহেদী মারুফের নেতৃত্বে ছাত্র অধিকার পরিষদের একদল নেতা-কর্মী রাকসু জিএসের কার্যালয়ে যান। ওই বিষয়ে কৈফিয়ত চাইলে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডার সৃষ্টি হয়।

মেহেদী মারুফের অভিযোগ, এই মন্তব্যের মাধ্যমে আম্মার গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরকে উদ্দেশ করে কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত করেছেন। তবে জিএস আম্মারের দাবি, তিনি কেবল ছন্দ মেলানোর জন্য ‘নুরু’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন, কাউকে লক্ষ্য করে মন্তব্য করেননি। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

পরে কার্যালয় থেকে বের হয়ে মেহেদী মারুফ সাংবাদিকদের বলেন, সালাহউদ্দিন আম্মার ফেসবুকে যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা একজন সরাসরি শিক্ষার্থীদের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধির জন্য লজ্জাজনক। তিনি নৈতিক স্খলন ঘটিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রাকসুর সভাপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের কাছে যাবেন। তিনি জিএসের পদ স্থগিতের দাবি জানান।

অন্যদিকে পদ স্থগিতের দাবির বিষয়ে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থীরাই নেবে। তিনি মনে করেন, এটি তাঁদের রাজনৈতিক কৌশল। যখন সবাই রাজনীতির মাঠে নীরব, তখন তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা