October 28, 2026, 7:33 am
শিরোনাম :
টেকনাফ থেকে গোদাগাড়ী: মাদক নেটওয়ার্কের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে জাসাসের স্যালাইন পানি বিতরণ ছবি তোলায় রাজশাহীতে ৫ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার হুমকি ব্যানার ছাড়াই গোদাগাড়ীতে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা সংঘর্ষ: তদন্ত ও পুলিশি তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ “সরকারি অনুমোদন এখনো হয়নি, সফরের ব্যয় বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান” নতুন কিছু চমক দেখাবে অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ

দ্বিগুণ দামেও সিলিন্ডার মিলছে না রাজশাহীতে

স্টাফ রিপোর্টার :-

রাজশাহীতে গত তিন সপ্তাহ ধরে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকট চলছে। দৈনিক ৩৫–৪০ হাজার সিলিন্ডারের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ মিলছে মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ। দোকান ঘুরে ঘুরে সিলিন্ডার পাওয়া যায় না, মিললেও দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে।

স্থানীয় খুচরা বিক্রেতারা জানান, ডিসেম্বরের শেষ দিকে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়ায় পরিস্থিতি আরও সংকটজনক হয়ে উঠেছে। রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন বাজারে কেজি ১২ সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩০৬ টাকায়, তবে সরবরাহ না থাকায় অনেক ক্রেতাকে দ্বিগুণ মূল্য দিতে হচ্ছে।

ভুক্তভোগীরা জানান, রান্নার জন্য বিকল্প নেই; অনেকের রান্নাঘরের গ্যাস শেষ, কিন্তু সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। ছোট বনগ্রাম এলাকার সোহেল রানা বলেন, “৩ জানুয়ারি গ্যাস শেষ হয়েছে, দুই দিন রান্না করতে পারিনি। পরে ২,৩৫০ টাকা দিয়ে সিলিন্ডার পেয়েছি।”

হোটেল ও রেস্তোরাঁও প্রভাবিত হয়েছে। গণকপাড়ার হোটেল মালিক আব্দুর রহমান বলেন, “প্রতিদিন চারটি বড় সিলিন্ডার লাগে। এখন সরবরাহ নেই, ছোট সিলিন্ডার নিয়ে কাজ চালাতে হচ্ছে। জ্বালানি খরচ বেড়েছে, অনেক কিছু রান্না বন্ধ করতে হয়েছে।”

স্থানীয় বিক্রেতারা সরবরাহের অনিয়মকে সংকটের মূল কারণ হিসেবে দেখছেন। সিপাইপাড়া ঘোষপাড়া মোড়ের গ্যাস বিক্রেতা মানিক বলেন, “চাহিদার তুলনায় অনেক কম সিলিন্ডার পাচ্ছি। মজুত নেই, তাই আমরা দিতে পারছি না।”

রাজশাহী এলপিজি সিলিন্ডার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন কচি জানান, “দৈনিক ৩৫–৪০ হাজার সিলিন্ডারের চাহিদা থাকলেও আমরা মাত্র পাঁচ ভাগের এক ভাগ সরবরাহ পাচ্ছি। সরকার নির্ধারিত দামের বেশি রাখি না। তবে কোম্পানি সীমিত সরবরাহ করায় সমস্যা হচ্ছে।”

জানা গেছে, ১৮টি কোম্পানি সিলিন্ডার সরবরাহ করে; বর্তমানে মাত্র চারটি কোম্পানি—এমবি, সান, যমুনা ও আই গ্যাস-সীমিত সরবরাহ করছে। সংকট কবে শেষ হবে, তা কেউ বলতে পারছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা