October 27, 2026, 6:52 am
শিরোনাম :
টেকনাফ থেকে গোদাগাড়ী: মাদক নেটওয়ার্কের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে জাসাসের স্যালাইন পানি বিতরণ ছবি তোলায় রাজশাহীতে ৫ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার হুমকি ব্যানার ছাড়াই গোদাগাড়ীতে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা সংঘর্ষ: তদন্ত ও পুলিশি তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ “সরকারি অনুমোদন এখনো হয়নি, সফরের ব্যয় বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান” নতুন কিছু চমক দেখাবে অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে, আরও এক শিশুর মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :-

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে আজও হামে আক্রান্ত্র শিশু রোগীর ভিড় বেড়েই চলেছে। আর আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দিন বলেন, নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত শিশু চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারঘরিয়া ইউনিয়নের লক্ষিপুর গ্রামের সারিকা (৫ মাস)।

আর এ নিয়ে গত তিন মাসে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ জন। একই সময়ে ২৬৬ জন শিশু ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছে আরও ১৬ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১১ জন এবং রাজশাহীতে রের্ফাড করা হয়েছে আরও ২ জনকে। বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ৭৪ জন শিশু। এছাড়া এখন পর্যন্ত ৪৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৩৮ জন শিশুর শরীরে হাম ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। যেখানে ২ বছরের নীচের শিশুদের আক্রান্তের হার ৫৭ শতাংশ এবং ৯ মাসের কম বয়সী শিশুদের আক্রান্তের হার ৩২ শতাংশ।

হাসপাতালের অস্থায়ী আইসোলেশন ইউনিটে সকালে রোগীদের গাদাগাদি করে মেঝেতে দেখা গেছে। আর ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত ফ্যান, লাইট নেই এবং নোংরা পরিবেশে থাকাটাই অস্বস্তিকর বলে জানিয়েছেন রোগীর স্বজনরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রোগীর চাপ সামাল দিতে পর্যাপ্ত চিকিৎসক, নার্স, ওষুধ ও বেডের অভাবে কাঙ্খিত চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছে।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ হাসপাতালের হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মাদ মশিউর রহমান জানিয়েছেন, দিন দিন রোগীর সংখ্যা বাড়ায় পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠছে, তবে নিয়ন্ত্রণে আনতে তারা তাদের সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুব দ্রুতই হাম প্রতিরোধে ক্যাম্পেই শুরুর কথা জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।

তবে গত তিন মাস ধরে প্রকোপ বাড়লেও, স্থানীয় প্রশাসন এবং স্বাস্থ্য বিভাগ যথাযথ উদ্যোগ না নেওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অনেকই মনে করছেন।

হামের মতো ছোঁয়াচে রোগ থেকে শিশুদের সুরক্ষায় সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা, ভিড় এড়িয়ে চলা এবং উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এখন সবচেয়ে জরুরি। কাজেই আতঙ্কিত না হয়ে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে এমনটাই বলছেন, বিশেষজ্ঞরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা