October 27, 2026, 7:09 am
শিরোনাম :
টেকনাফ থেকে গোদাগাড়ী: মাদক নেটওয়ার্কের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে জাসাসের স্যালাইন পানি বিতরণ ছবি তোলায় রাজশাহীতে ৫ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার হুমকি ব্যানার ছাড়াই গোদাগাড়ীতে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা সংঘর্ষ: তদন্ত ও পুলিশি তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ “সরকারি অনুমোদন এখনো হয়নি, সফরের ব্যয় বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান” নতুন কিছু চমক দেখাবে অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ

রাজশাহীতে দিনমজুরকে গুলি করে হত্যা মামলায় বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

স্টাফ রিপোর্টার :-

রাজশাহী নগরে দিনমজুর গোলাম মোস্তফাকে গুলি করে হত্যার মামলায় বিএনপির স্থানীয় এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার ধর্মহাটা পটিয়াকান্দি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আজ শনিবার র‍্যাব-৫-এর অধিনায়কের কার্যালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম মো. উকিল (৫২)। তিনি রাজশাহী সিটি করপোরেশনের ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং এর আগে যুবদলের নেতৃত্বে ছিলেন। গোলাম মোস্তফা হত্যা মামলায় তিনি ২ নম্বর আসামি তিনি।

র‍্যাব জানায়, এ হত্যাকাণ্ডের পর ছায়া তদন্তের মাধ্যমে আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৫-এর একটি দল চারঘাট থানার ধর্মহাটা পটিয়াকান্দি এলাকায় অভিযান চালিয়ে উকিলকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উকিল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁকে রাজশাহী মহানগরের মতিহার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

১৪ ফেব্রুয়ারি নগরের ডাঁশমারী খোঁজাপুর এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন গোলাম মোস্তফা (৫০)। পরের দিন নিহত ব্যক্তির স্ত্রী নাদেরা বেগম ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মো. উকিল, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল মোল্লা ও শিহাব ইসলামকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহার ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় এক বছর আগে গোলাম মোস্তফার ভাতিজা চঞ্চলকে কেন্দ্র করে একটি বিরোধের সূত্রপাত হয়। খোঁজাপুর মোড়ে একটি দোকান ভাঙচুরের ঘটনাকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে উভয় পক্ষ পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগে মামলা করে। মামলা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

হত্যাকাণ্ডের পর গোলাম মোস্তফাকে দাফনের পর এলাকাবাসী মানববন্ধন করে আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। ১৮ ফেব্রুয়ারি পরিবার ও স্থানীয় লোকজন বিনোদপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন।

মতিহার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে আজ শনিবার দুপুরে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা