May 24, 2026, 8:59 pm
শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেকেই ফিরলেন তেল না পেয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের শ্রদ্ধা রাজশাহী প্রেসক্লাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শামসুল ও রেজাউলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আর্থিক নিরাপত্তা ও মুক্ত গণমাধ্যম নীতিমালা চান সাংবাদিকেরা: আরইউজে’র আলোচনা সভা জুলাইযোদ্ধা ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত, লাশের অপেক্ষায় মা দেশে মব কালচার আর থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার লক্ষ্যেই কেন্দ্রে যাব: রাবি উপাচার্য

রাবি প্রতিনিধি :-

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব বলেছেন, আসন্ন গণভোটে তিনি ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার লক্ষ্যেই ভোটকেন্দ্রে যাবেন। তিনি মনে করেন, হাজারো তরুণের রক্তের বিনিময়ে গড়ে ওঠা নতুন বাংলাদেশের পথকে মসৃণ ও ত্বরান্বিত করতে এই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ নাগরিক দায়িত্ব এবং নৈতিক দায়বদ্ধতার প্রতীক।

আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘গণভোট–২০২৬’ বিষয়ক জনসচেতনতামূলক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘গণভোটের ব্যালটে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীক না থাকলেও আমার মনের গভীরে একটি প্রতীক রয়েছে। সেটি হলো লাল। এই লাল আমাদের সন্তানদের রক্তের চিহ্ন, যা জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে ঝরেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের রক্তক্ষয়ী ঘটনাপ্রবাহ স্মরণ করলে বোঝা যায়, দেশের অগ্রযাত্রার জন্য এই গণভোটের প্রস্তুতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার অর্থ কেবল মত প্রকাশ নয়, বরং তরুণদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং তাদের রক্তের ঋণ শোধের পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া।’

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে উপাচার্য বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে এক ধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছে। একটি গোষ্ঠী বিদ্যমান ব্যবস্থাকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু দেশে যে গুণগত পরিবর্তন এসেছে, তাকে আর পেছনে ফেরানো সম্ভব নয়। কেউ যদি আগের কায়দায় রাষ্ট্র পরিচালনার স্বপ্ন দেখে, তবে আমি লিখে দিতে পারি-তাদের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে।’

তরুণদের সাহসিকতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘দেশের সাধারণ মানুষ ও তরুণ সমাজের মন থেকে দীর্ঘদিনের ভয় ও জড়তা দূর হয়ে গেছে। এখন তারা আর কাউকে ভয় পায় না। যারা ভয় পায় না, তাদের ওপর আতঙ্ক সৃষ্টি করে শাসন করার দুঃস্বপ্ন দেখে আর লাভ নেই।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত এই সচেতনতামূলক সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা