October 28, 2026, 4:17 am
শিরোনাম :
টেকনাফ থেকে গোদাগাড়ী: মাদক নেটওয়ার্কের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে জাসাসের স্যালাইন পানি বিতরণ ছবি তোলায় রাজশাহীতে ৫ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার হুমকি ব্যানার ছাড়াই গোদাগাড়ীতে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা সংঘর্ষ: তদন্ত ও পুলিশি তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ “সরকারি অনুমোদন এখনো হয়নি, সফরের ব্যয় বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান” নতুন কিছু চমক দেখাবে অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ

তানোরে নতুন সড়কে ঘষা দিলেই উঠে যাচ্ছে পিচ-পাথর

তানোর প্রতিনিধি :-
রাজশাহীর তানোরে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের পর পরই উঠে যাচ্ছে পিচ-পাথর।

রাজশাহীর তানোরে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণের ৫ দিনের মধ্যে উঠে যাচ্ছে পিচ-পাথর। রাস্তাটি নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সড়কের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও পুরত্বও সিডিউল মেনে হয়নি। এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ নিম্নমাণের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম প্রকল্পের আওতায় তানোর উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়নের হাতিশাইল গ্রামে প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক নির্মাণের জন্য ব্যয় ধরা হয় ৯৭ লাখ টাকা। কাজটির কার্যাদেশ পায় রাজশাহীর একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। তবে, মূল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে কাজের কার্যাদেশ কিনে নেয় রুবেল হোসেন নামের এক ব্যক্তি। তিনিও রাজশাহী শহরের বাসিন্দা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সড়কের কার্পেটিং কাজ সম্পন্ন করা হয়। কিন্তু নির্মাণে নিম্নমাণের বিটুমিন, পাথর আর ইট ও বালু ব্যবহার করে পরিষ্কার ছাড়াই সড়কটির কার্পেটিং করা হয়। তবে এর কয়েকদিনের মধ্যেই উঠে যাচ্ছে পিচ ও পাথর। স্থানীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ঘষা দিলেই পিচের স্তর উঠে আসছে।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাস্তায় পরিমাণমতো পিচ দেওয়া হয়নি। এ কারণে পা দিয়ে জোরে ঘষা দিলেই পাথর উঠে যাচ্ছে। পিচ ঢালাইয়ের সময় ঠিকমতো রুলিং করা হয়নি। ফলে সড়কটি মসৃণ না হয়ে এবড়োথেবড়ো অবস্থায় রয়েছে। দায়সারা কাজ করার কারণে সড়কটিতে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ভ্যানচালকরা বলেন, এত নিম্নমাণের কাজ হয়েছে, ছয় মাসও টিকবে না এই সড়ক। এখন যদি বৃষ্টি হয়, পুরো সড়ক নষ্ট হয়ে যাবে। সরকার সড়ক নির্মাণে প্রায় কোটি টাকা ব্যয় করছে। অথচ ঠিকাদাররা দায়সারা কাজ করে অর্ধেক টাকা লোপাট করছে। ফলে কয়েকদিন না যেতেই সব উঠে যেতে শুরু করেছে। আগের রাস্তা ভালো ছিল বলে দাবি তাদের।
স্থানীয় একজন ঠিকাদার জানান, পাঁকা সড়কের পিচ সহজে উঠে আসার কারণ নিম্নমাণের সামগ্রী ব্যবহার ও সঠিক অনুপাতে পাথর ও বিটুমিন না মেশানো। এতে রাস্তার ওপরের স্তর দুর্বল হয়ে পড়ে ও স্থায়িত্ব কমে যায়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তানোর উপজেলা প্রকৌশলী মোসা. নূরনাহার বলেন, এলাকাবাসীর পক্ষে মাসুদ করিম নামের এক ব্যক্তি সড়কের নির্মাণকাজ দেখভাল করে বুঝে নিয়েছেন। এ ছাড়াও অফিসের লোকজন সরেজমিন নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করেছেন। এর পরও কাজে কোনো অনিয়ম হলে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা