
খেলাকে আরও গতিশীল করা এবং যুবসমাজকে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করে তুলতেই নিয়মিত আয়োজনের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী আলী হাসান তুষার। ১১তম চন্ডিপুর প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল ক্রীড়া আয়োজনই পারে তরুণদের মাদক, অপরাধ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে।
তিনি বলেন, “আজকের যুবসমাজ যদি মাঠে থাকে, তাহলে তারা ভুল পথে যাবে না। খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও সহনশীলতা শেখায়। চন্ডিপুর প্রিমিয়ার লিগের মতো টুর্নামেন্ট তরুণদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি একটি সুস্থ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছে।”
চন্ডিপুর যুব সংঘের আয়োজনে টানা ১১তম বারের মতো শুরু হওয়া এই টুর্নামেন্ট রাজশাহী কালেক্টর মাঠে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে আটটি দল। উদ্বোধনী দিনে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
আলী হাসান তুষার আরও বলেন, স্থানীয় পর্যায়ের এসব টুর্নামেন্ট নিয়মিত পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এখান থেকেই ভবিষ্যতের জাতীয় মানের খেলোয়াড় উঠে আসতে পারে। তবে শুধু আয়োজন করলেই হবে না, প্রশিক্ষণ, মাঠের মান এবং খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি।
স্থানীয় ক্রীড়ানুরাগীদের মতে, সিপিএলের মতো ধারাবাহিক আয়োজন রাজশাহীর ক্রিকেট সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিচ্ছে। তবে অনুসন্ধানী প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে-এই টুর্নামেন্টগুলো থেকে কতটা টেকসইভাবে প্রতিভা বাছাই ও উন্নয়ন সম্ভব হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কতটা কার্যকর? মাঠের উত্তেজনার পাশাপাশি সেই দিকেই এখন তাকিয়ে ক্রীড়ামোদী মহল।