October 27, 2026, 10:58 am
শিরোনাম :
টেকনাফ থেকে গোদাগাড়ী: মাদক নেটওয়ার্কের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে জাসাসের স্যালাইন পানি বিতরণ ছবি তোলায় রাজশাহীতে ৫ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার হুমকি ব্যানার ছাড়াই গোদাগাড়ীতে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা সংঘর্ষ: তদন্ত ও পুলিশি তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ “সরকারি অনুমোদন এখনো হয়নি, সফরের ব্যয় বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান” নতুন কিছু চমক দেখাবে অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ

‘আ. লীগ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা যাবে না’ উল্লেখ করে উপদেষ্টা পরিচয়ে ডিসিকে এসএমএস, প্রতারক গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ :-

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পরিচয়ে রাজশাহীর জেলা প্রশাসককে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান ও অর্থ দাবি করার অভিযোগে মো. শামীম ওসমান (২৯) নামে এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টার (সিপিসি)।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সাভার এলাকায় এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত শামীম ওসমান রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কিশোরপুর গ্রামের মো. শামসুল হকের ছেলে।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে সিআইডি জানায়, শামীম ওসমান নিজেকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পরিচয় দিয়ে রাজশাহীর জেলা প্রশাসকের হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠান। ওই বার্তায় তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দাবি করেন, ‘রাজশাহীতে কোনো আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা যাবে না’ এবং ‘আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন হবে না’। একইসঙ্গে তিনি জেলা প্রশাসকের নিকট মাসিক ‘কালেকশন’ সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চান এবং দ্রুত তার ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে ১ লাখ টাকা পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে জেলা প্রশাসন কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারকে অবহিত করে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রতারকের অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুততম সময়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

সিআইডি জানিয়েছে, শামীম ওসমান একজন পেশাদার প্রতারক। এর আগেও তিনি সরকারি বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করেছেন। এছাড়া রাজশাহীর বাঘা থানায় তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা বিদ্যমান ছিল। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অপারেশনস টিম জানিয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না অথবা তিনি অন্য কোনো কর্মকর্তার পরিচয় ব্যবহার করে কোথাও প্রতারণা করেছেন কি না, তা উদঘাটনে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা