October 27, 2026, 10:43 am
শিরোনাম :
টেকনাফ থেকে গোদাগাড়ী: মাদক নেটওয়ার্কের আলোচনায় চেয়ারম্যান সোহেল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজশাহীতে জাসাসের স্যালাইন পানি বিতরণ ছবি তোলায় রাজশাহীতে ৫ সাংবাদিককে গুলি করে হত্যার হুমকি ব্যানার ছাড়াই গোদাগাড়ীতে জিয়ার শাহাদাৎ বার্ষিকীর অনুষ্ঠান, ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা রাজশাহীর কাশিয়াডাঙ্গা সংঘর্ষ: তদন্ত ও পুলিশি তৎপরতা নিয়ে স্থানীয়দের অসন্তোষ “সরকারি অনুমোদন এখনো হয়নি, সফরের ব্যয় বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান” নতুন কিছু চমক দেখাবে অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ

তারেক রহমানের সান্নিধ্যই আমার বড় পাওয়া: আল আমিন

ডেস্ক নিউজ :-

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আবেগঘন বক্তব্য যেমন উপস্থিতদের কাঁদিয়েছে, তেমনি দলের নেতাকর্মীদের অনুপ্রাণিত করেছে। এ সভায় তারেক রহমানের সঙ্গে এক টেবিলে বসে কথা বলার সুযোগ পাওয়াকে নিজের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বড় অর্জন বলে মন্তব্য করেছেন ময়মনসিংহের কৃতি সন্তান জুলাই যোদ্ধা সাবেক ছাত্রদলের নেতা আল আমিন।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এ শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান ঘোষণা দেন, বিএনপি আগামীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের আওতায় জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা একটি ডিপার্টমেন্ট গঠন করা হবে।

সভায় আল আমিন বলেন,“তারেক রহমানের সঙ্গে আমি বসতে পারছি, এটাই আমার বড় পাওয়া।” তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে দলের আদর্শ ও কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত থেকে মাঠপর্যায়ে কাজ করার পর দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি সান্নিধ্য পাওয়া তার জন্য গর্ব ও অনুপ্রেরণার বিষয়।

আল আমিন আরও বলেন, তারেক রহমানের রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্ব দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। একজন সাধারণ কর্মী বা নেতার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দেয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এদিকে মতবিনিময় সভায় তারেক রহমান বলেন, জুলাই যোদ্ধাদের পরিবারদের কল্যাণ ও আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব রয়েছে। তিনি আবেগভরে বলেন,“শহীদ পরিবার ও আহতদের কষ্ট কোনো কিছু দিয়েই মোচন করা সম্ভব নয়। আমিও জানি স্বজন হারানোর বেদনা কতটা গভীর।”

তিনি জানান, বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার ও আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে এবং দল-মত নির্বিশেষে যোগ্যতা অনুযায়ী তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তারেক রহমান বলেন, একটি নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের আন্দোলনকে যারা দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়, তাদের ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ দলের শীর্ষ নেতারা। সভা শেষে আল আমিনের বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের বক্তব্য ও কর্মসূচি তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সংযোগ আরও দৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা