May 24, 2026, 11:27 pm
শিরোনাম :
রাজনৈতিক বিবেচনায় দুদকের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ ঘিরে আলোচনা রাজশাহীতে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ১৪ রাজশাহীতে শিশুদের মৃত্যু নিয়ে স্বাস্থ্য সচিবের দুঃখ প্রকাশ ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করেও অনেকেই ফিরলেন তেল না পেয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে রাজশাহী জেলা পরিষদের প্রশাসকের শ্রদ্ধা রাজশাহী প্রেসক্লাবে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে শামসুল ও রেজাউলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য হবেন না: খেলোয়াড়দের প্রতি প্রধানমন্ত্রী আর্থিক নিরাপত্তা ও মুক্ত গণমাধ্যম নীতিমালা চান সাংবাদিকেরা: আরইউজে’র আলোচনা সভা জুলাইযোদ্ধা ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত, লাশের অপেক্ষায় মা দেশে মব কালচার আর থাকবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নির্বাচনে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই কমিশনের মূল লক্ষ্য: সিইসি

ডেস্ক নিউজ :-

নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বাসযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশন কোনো পক্ষের প্রতি ঝুঁকে না পড়ে আপিল শুনানি সম্পন্ন করেছে বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই কমিশনের মূল লক্ষ্য।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে টানা নয় দিন ধরে চলা আপিল শুনানি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সিইসি। তিনি জানান, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের স্বার্থেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনের শর্ত শিথিল করা হয়েছে।

সিইসি বলেন, অনেকেই হয়তো কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন বা সমালোচনা করবেন। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থনসূচক স্বাক্ষরের বিষয়টি কীভাবে শিথিল করা হয়েছে, তা সবাই দেখেছেন। এটি কোনো একক সিদ্ধান্ত নয়, বরং নির্বাচনকে সবার জন্য উন্মুক্ত রাখার প্রয়াস।

তিনি আরও বলেন, কমিশনের পক্ষ থেকে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমরা কোনো ধরনের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত নেইনি। দীর্ঘ বিচার-বিশ্লেষণ এবং আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে প্রতিটি বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করেছি।

আপিল শুনানিতে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের আচরণ ও অংশগ্রহণের ভূয়সী প্রশংসা করেন সিইসি নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, প্রার্থীরা যেভাবে প্রশ্ন করেছেন এবং যুক্তিসংগতভাবে জবাব দিয়েছেন, তা দেখে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন। আমাদের আলেম সমাজ একে ‘বাহাস’ বলে থাকেন—আপনাদের ধৈর্য ও শালীনতা প্রশংসার দাবি রাখে।

তিনি আরও যোগ করেন, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করেছেন, কেউ কেউ আমাদের আগেও উপস্থিত হয়েছেন। এই সহযোগিতা ছাড়া এত বড় প্রক্রিয়া সফল করা সম্ভব হতো না।

এদিকে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, ঋণখেলাপি প্রার্থীদের বিষয়ে ছাড় দিতে গিয়ে কমিশন মানসিকভাবে স্বস্তিতে ছিল না। তবে আইন যেহেতু তাদের প্রার্থিতা বৈধ রাখার সুযোগ দিয়েছে, তাই বাধ্য হয়েই সেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


ফেসবুকে আমরা