ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে এসে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রবীণ ভোটার মাসুদুল আলম চৌধুরী। ৭৯ বছর বয়সী এই ভোটার এবারই প্রথম ভোট দিয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কানাডাপ্রবাসী।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম নগরের জামালখান এলাকার ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট দেন মাসুদুল আলম চৌধুরী। ভোট গ্রহণ শুরুর সময় সকাল সাড়ে সাতটায় তিনি ভোট দেন। তাঁর বাসা নগরের জামালখান এলাকায়।
ভোট দিয়ে মাসুদুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে কানাডাতেই থাকি। দেশে কখনো ভোট দেওয়া হয়নি। ভোটের সময় দেশে ছিলাম না। ৭৯ বছর বয়সে এবারই প্রথম বাংলাদেশে ভোট দিলাম। ভোট দিতে পেরে খুব ভালো লাগছে।’
মাসুদুল আলম চৌধুরী আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় থাকুক—এটাই তাঁর প্রত্যাশা। তিনি চান দেশ ভালো থাকুক। নতুন সরকার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ভোটের পরিবেশ নিয়েও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন মাসুদুল।
ডা. খাস্তগীর সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে নারী-পুরুষ মিলিয়ে ৪ হাজার ৮৬ ভোটার রয়েছেন। ভোট গ্রহণের শুরুতে এই কেন্দ্রে ভোটারদের ভিড় তুলনামূলক কম দেখা গেছে। এ আসনে ১০ জন প্রার্থী থাকলেও ৮টি ভোটকক্ষে সব প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট ছিল না। শুধু বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামিক ফ্রন্টের প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট আছে বলে জানান প্রিসাইডিং অফিসার মুহিবউল্লাহ।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে মোট প্রার্থী ১০ জন। বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান এবং ১১–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এ কে এম ফজলুল হক। অন্য প্রার্থীরা হলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুস শুক্কুর, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ ওয়াহেদ মুরাদ, গণসংহতি আন্দোলনের সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মারুফ, বাসদ (মার্ক্সবাদী) মো. শফি উদ্দিন কবির, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মোহাম্মদ নঈম উদ্দীন, নাগরিক ঐক্যের মো. নুরুল আবছার মজুমদার, জনতার দলের মো. হায়দার আলী চৌধুরী ও জেএসডির আবদুল মোমেন চৌধুরী।
চট্টগ্রাম-৯ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৬ হাজার ৩৬৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ১৩ হাজার ৯০৬ জন, নারী ২ লাখ ২ হাজার ৪৪৮ জন এবং হিজড়া ৯ জন। আসনের ১২১টি ভোটকেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তাঁরা।