রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে ৫৬টি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহিৃত করা হয়েছে। ১১৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে সাধারণ ৬৩টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ৫৬টি ভোটকেন্দ্র হিসেবে চিহিৃত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক ও চারঘাট মডেল থানার ওসি হেলাল উদ্দিন ফারুকী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে আর বাকি মাত্র ২ দিন। বাঘা ও চারঘাট উপজেলা নিয়ে গঠিত রাজশাহী-৬ নম্বর আসন। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র পরিস্থিতিকে গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং হিসেবে দেখছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিতে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ।
বাঘা থানার ওসি সেরাজুল হক ও চারঘাট মডেল থানার ওসি হেলাল উদ্দিন ফারুকী বলেন, দুটি উপজেলার ভোট কেন্দ্রগুলোকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ, ঝুঁকিপূর্ণ ও সাধারণ এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। বিগত নির্বাচন ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে এই তালিকা প্রস্তু করা হয়েছে। এরমধ্যে সাধারণ ভোটকেন্দ্র রয়েছে ৬৩টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ৫৬টি। ঝুঁকিপূর্ণ এসব কেন্দ্র গুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা থাকবে। ভোটগ্রহণ শুরু থেকে ফলাফল গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশের বিশেষ টিম অস্ত্রসহ দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্র দখল, জালভোট ও সহিংসতা প্রতিরোধে সর্বাধিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
ভোটার সংখ্যা, আধিপত্য বিস্তার, থানার দূরত্ব, দুর্গম, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো বিবেচনায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে চিহিৃত করা হয়েছে। পুলিশ, আনসার, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয়ে একাধিক বৈঠকে নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল খালেদ বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনামাফিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং জনমনে আস্থা ও স্বস্তি আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃশ্যমান কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। নির্বাচনে নাশকতা সৃষ্টি করতে পারে এমন ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠীর বিষয়ে নজরদারী বাড়ানো হচ্ছে।
এ নির্বাচনে পুলিশ মাঠে খুবই সতর্ক রয়েছে। সেনাবাহিনী ও বিজিবি রয়েছে। চেষ্টা করছি সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে।