বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী এ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেছেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের উন্নয়ন ও কল্যাণে জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। কারণ শত নির্যাতন সহ্য করেও তিনি দেশে থেকেছেন। কখনো দেশ ছেড়ে পালাল নি।
আজ শুক্রবার বিকেলে হরিয়ান সুগারমিল মাঠে আপোসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দোয়া মাহফিলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন, চলমান আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন এবং জুলাই-আগস্টে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেও দোয়া করা হয়।
মিলন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পরে দেশের সংস্কার কাজ শুরু করেছিলেন। তিনি প্রেসিডেন্সি ব্যবস্থা রোধ করে পার্লামেন্ট সরকার ব্যবস্থা চালু করেন। সে সময় থেকেই তিনি নারী শিক্ষা ও নারীদের স্বাবলম্বী করতে অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করেছিলেন। নারীদের ক্ষমতায়ন করতে তিনি অনেক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহন করেছিরেন। শুধু তাই নয়, তিনি মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়, বয়স্ক ও বিধবা ভাতাসহ সামাজিক নিরাপত্তাবলয়ে অনেক যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহন করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশ গড়ার জন্য সব কিছু করে গেছেন।
তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, দুই একদিনের মধ্যে ভারমুক্ত হয়ে বিএনপির চেয়ারম্যান হবেন। তাঁর হয়ে সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি। তিনি বলেন, পবার বিএনপির সকল নেতা আজকে এক কাতারে এসে বসেছেন। সবাই ধানের শীষের জন্য একাট্টা হয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, তারেক রহমান কর্তৃক যে ৩১ দফা দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করলে আর কোন সংস্কার করার দরকার নাই।
তিনি আরো বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কারিগরী ও বাস্তবমুখী শিক্ষা চালু এবং চতুর্থ শ্রেণি হতে সকল শিক্ষার্থীর জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে বলে জানান তিনি।
হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব বাদশা মিয়ার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য শাহাজান আলী, পবা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য আলী হোসেন, সদস্য সচিব জেলা বিএনপির সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, জেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য রুকুনুজ্জামান আলম, পবা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ, আব্দুল হালিম, রাবি ফিসারিজ বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. দেলোয়ার হোসেন, হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান ও এডভোকেট আবু মোহাম্মদ তারেক প্রমুখ।